রোদ-বৃষ্টি মিশ্রিত বাংলার হাটেবাজারে চলে এসেছে কচুর থোড়। আর এই থোড়ে যদি জুড়িয়ে যায় চিংড়ির স্বাদ, তাহলে তো কথাই নেই! গ্রামবাংলার এই অমলিন স্বাদের প্রতীক কিন্তু একদম সাধারণ উপকরণে বানানো যায়। অথচ স্বাদে একেবারে রাজকীয়। গরম ভাতের সাথে এক চামচ থোড় চিংড়ি মানেই দুপুরটা জমে যাবে। তাহলে চলুন জেনে নিই রেসিপি আর সাথে রইল বিশেষ টিপস।

উপকরণঃ
- ৩০০ গ্রাম থোড় (কুঁচি করে কাটা)
- ২০০ গ্রাম পেঁপে (ছোট টুকরো করে কাটা)
- ১০০ গ্রাম কুচো চিংড়ি
- ১ টি পেঁয়াজ (কুঁচি করা)
- ৪ টেবিল চামচ সরষের তেল
- ১ চা-চামচ জিরে গুঁড়ো
- ১ চা-চামচ লঙ্কা গুঁড়ো
- ১ চা-চামচ হলুদ গুঁড়ো
- ১ চা-চামচ আদা-রসুন বাটা
- ১ টেবিল চামচ ঘি
- ১ চা-চামচ গরম মশলা
- স্বাদমতো নুন
- প্রয়োজন মতো জল

প্রণালীঃ
১। প্রথমেই নুন হলুদ মাখিয়ে কুচো চিংড়ি টাকে এক চা-চামচ তেল দিয়ে ভেজে তুলে রাখতে হবে।
২। তারপর থোড় টাকে প্রেসার কুকারে পরিমাণমতো জল আর চারটি সিটি দিয়ে সেদ্ধ করে নিতে হবে। এরপর জল ঝরে গেলে, হাতের সাহায্যে থোড়টা কে ভালোভাবে চিপে জলটাকে বার করে নিয়ে রাখতে হবে।
৩। এবার কড়াইতে বাকি তেলটুকু দিয়ে পেঁয়াজটা হালকা বাদামি করে ভেজে তুলে নিন।
৪। একই তেলে আদা-রসুনের বাটা দিয়ে, এরপর একে একে নুন, জিরে গুঁড়ো, লঙ্কা গুঁড়ো, হলুদ গুঁড়ো দিয়ে মিশিয়ে কিছুক্ষণ কষিয়ে নিতে হবে।
৫। এরপর কষানো মশলায় থোড়, চিংড়ি ও পেঁপে দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে কিছুক্ষণ রান্না করুন।

৬। স্বাদ অনুযায়ী নুন দিন।
৭। যতক্ষণ না থোড় ও চিংড়ি ভালোভাবে কষিয়ে রান্না হয় ততক্ষণ ঢেকে রান্না করুন।
৮। এরপর তরকারি টা একদম মাখা মাখা করে নামানোর আগে ওপর থেকে ঘি এবং গরম মশলা ছড়িয়ে ভাতের সাথে পরিবেশন করুন।
বিশেষ টিপসঃ
- থোড়কে বেশি সেদ্ধ না করাই ভালো।
- চিংড়ি মাছ বেশি ভাজলে শক্ত হয়ে যেতে পারে, তাই মাঝারি আঁচে ভাজুন।
- এই রান্নাতে আপনি চাইলে শুকনো বা কাঁচা লঙ্কাও ব্যবহার করতে পারেন।

রোজকার রান্নায় একটু আলাদা স্বাদ চাইলে, থোড় চিংড়িই হোক আজকের বেছে নেওয়া পদ।