বর্তমানে প্রায় ১২ মাসই বাজারে সবরকম ফল আর সবজি পাওয়া যায়। তবুও বাতাবি লেবু বেশি করে পাওয়া যায় অগাস্ট থেকে সেপ্টেম্বর মাসে। টক-মিষ্টি স্বাদের বাতাবি খেতে যেমন ভাল, তেমনই পুষ্টিগুণে ভরা। সব রোগ সারাতে একাই একশো এই লেবু। অনেকে এই লেবুকে জাম্বুরাও বলে থাকেন। এর সুফল জানলে আপানারাও বলবেন বাতাবি লেবু সব রোগের যম।

১। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা
- বাতাবি লেবুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে, যা ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
- ভিটামিন সি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে যা শরীরের ক্ষতিকারক ফ্রি র্যাডিক্যালসকে নিরপেক্ষ করতে সাহায্য করে।
২। হজমে সহায়ক
- বাতাবি লেবুর ভিটামিন সি এবং ফাইবার হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করতে সহায়ক।
- এটি অন্ত্রের স্বাস্থ্যও উন্নত করতে পারে।
- এটির রস হালকা অ্যাসিডিক হতে পারে, যা হজমে সহায়ক হতে পারে এবং গ্যাস্ট্রিক সমস্যার উপশমে সাহায্য করতে পারে।

৩। ওজন নিয়ন্ত্রণ
- বাতাবি লেবুতে কম ক্যালোরি থাকে, যা ওজন কমানোর ডায়েটে উপকারী।
- এটি মেটাবলিজম বৃদ্ধি করতে সাহায্য করতে পারে এবং শরীরের অতিরিক্ত চর্বি কমাতে সহায়ক হতে পারে।
৪। হৃদরোগের ঝুঁকি কমানো
- এর ফাইবার ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হার্টের স্বাস্থ্য উন্নত করতে সাহায্য করে এবং কোলেস্টেরলের স্তর নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।
- এতে থাকা পটাসিয়াম উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
৫। ত্বক এবং চুল ভাল রাখে
- বাতাবি লেবুর ভিটামিন সি ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে এবং বয়সের ছাপ কমাতে সহায়ক।
- বাতাবি লেবুর রস চুলের স্বাস্থ্য উন্নত করতে এবং স্ক্যাল্পের সমস্যা কমাতে সহায়ক হতে পারে।

৬। ডিটক্সিফিকেশন
বাতাবি লেবু ডিটক্সিফিকেশন প্রক্রিয়ায় সহায়ক হতে পারে, কারণ এটি শরীরের বিষাক্ত পদার্থের নির্গমনে সহায়তা করে।
৭। মৌসুমি সর্দি-কাশি থেকে মুক্তি
বাতাবি লেবুর অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য সর্দি-কাশি এবং গলা ব্যথার উপশমে সহায়ক হতে পারে।