শ্রাবণ মাস মানেই শুধু বৃষ্টি আর বৃষ্টি। আর যদি এই বৃষ্টিতে বাঙালির পাতে থাকে খিচুড়ি, তাহলে তো আর কথাই নেই। তাই আজ আপনাদের জন্য মেনুতে থাকছে খিচুড়ি। তবে সেই একই চেনা পরিচিত টেস্ট কি সবসময় ভালো লাগে? সেই কথা ভেবেই আপনাদের পাতে আজ পরিবেশিত হোক আচারি ভুনা খিচুড়ি। না, আর সময় নষ্ট না করে চটজলদি জেনে নিন এই খাবারের সহজ রেসিপি।
উপকরণ:
- বাসমতি রাইস – ৩ কাপ
- মুগ ডাল – দেড় কাপ
- সরষের তেল – আধা কাপ
- পেঁয়াজকুচি – ১ কাপ
- আদাকুচি – ১ টেবিল চামচ
- টমেটোকুচি – আধা কাপ
- থেঁতলানো রসুন ৭–৮টি কোয়া
- গোটা এলাচ – ৪টি
- লবঙ্গ – ২টি
- তেজপাতা – ২টি
- দারুচিনি – ২টি
- রসুনবাটা – ১ টেবিল চামচ
- আদাবাটা – ১ টেবিল চামচ
- হলুদ – ১ চা-চামচ
- লঙ্কাগুঁড়ো – আধা চা-চামচ
- জিরাগুঁড়ো – ১ চা-চামচ
- ধনেগুঁড়ো – ১ চা-চামচ
- গোটা জিরা – ১ চা-চামচ
- গোটা কালো শর্ষে – ১ চা-চামচ
- লাল লঙ্কা – ৩টি
- পছন্দের আচার – ৩ টেবিল চামচ
- লবণ স্বাদমতো
- কাঁচা লঙ্কা ৮-১০টি
- গরম জল – ৮ কাপ
প্রণালি:
- মুগ ডাল সামান্য ভেজে নিন। ডালের রং একটু পরিবর্তন হলে নামিয়ে নিন।
- তেল গরম করে আস্ত শর্ষে, জিরা ও লঙ্কার ফোড়ন দিন।
- এবার থেঁতলানো রসুন, পেঁয়াজকুচি, আদাকুচি ও গরমমসলা কিছুক্ষণ ভেজে নিন।
- পেঁয়াজে বাদামি রং চলে এলে আদা ও রসুনবাটা দিয়ে দিন।
- একটু নেড়ে সব গুঁড়া মসলা ও লবণ দিয়ে দিন।
- মশলা ভালো করে কষিয়ে চাল ও ডাল দিয়ে দিন।
- চাল ও ডাল ভালো করে নেড়েচেড়ে ভাজুন।
- তারপর গরম জল দিন।
- এবার কাঁচা লঙ্কা ও আচার দিন।
- মাঝারি আঁচে ৫ মিনিটের জন্য ঢেকে দিন।
- মাঝে মাঝে ঢাকনা তুলে নেড়েচেড়ে আবার দমে রাখুন।
- চাল ও ডাল সেদ্ধ হয়ে গেলে নামিয়ে গরম-গরম পরিবেশন করুন।