দুর্গাপুজো যতই কাছে আসে, আমাদের শপিং–এর লিস্ট ততই বড় হয়। প্যান্ডেল হপিং, অঞ্জলী, ভোগের মাঝেও একটা জিনিস সবথেকে বেশি উত্তেজনা জাগায় – ‘এই পুজোতে কি পরব?’ কিন্তু এবারে শুধু ট্রেন্ড নয়, চাই এমন জামা-কাপড় যা একদিকে ইউনিক, অন্যদিকে সময়ে-অসময়ে আবারও পরে ফেলা যায়। ট্র্যাডিশন আর টুইস্টের মিশেলে এই পুজোতে সাজ হোক স্মার্টনেসের সঙ্গে। চলুন দেখে নিই, চারদিনের জন্যে চার রকম লুক কীভাবে সিলেক্ট করবেন।

রঙের বাহারে কাটুক পুজোর দিনঃ-

  • নিজের স্কিনটোন আর দিনের মুড অনুযায়ী রঙ বাছাই করে জামা-কাপড় কিনুন
  • ষষ্ঠীতে রাখুন হালকা প্যাস্টেল, সপ্তমীতে একটু ডার্ক রঙ দারুণ লাগবে। অষ্টমী মানেই ট্র্যাডিশনের লাল বা মেরুন
  • নবমীতে ক্লাসিক কালো আর দশমীতে লাল-সাদায় হোক এলিগ্যান্ট এন্ডিং

জামাকাপড় যেন একঘেয়ে না লাগেঃ-

  • শুধু পুজোর জন্য নয়, এমন জামাকাপড় বাছুন যেটা পরে যেকোনও অনুষ্ঠানেও মানাবে, আবার ক্যাজুয়াল দিনেও পরতে পারবেন
  • একটা জমকালো শাড়ি, বা একটা স্টাইলিশ কুর্তা সেট, কনসেপ্ট করা কোনও লুক বা ফিউশন ওয়ার
  • প্রতিটা লুকেই যেন থাকে একটা ছোট্ট টুইস্ট, যাতে বারবার পরেও একঘেয়ে না লাগে

সাজ হোক ইউনিকঃ-

  • জমকালো রঙ বা জামা না হলেও, স্টাইল করুন স্টেটমেন্টের সঙ্গে। সাজও হোক হালকা – যাতে চোখে লাগে, আবার মনেও থাকে
  • স্টেটমেন্ট লুক হোক কোনও ব্লাউজ বা তার কাট –এর সঙ্গে, অথবা ম্যাচিং অ্যাকসেসরিজে, কিংবা জুতো বা ব্যাগ দিয়ে। এই ছোট ছোট জিনিসেই সাজ হয়ে ওঠে স্মার্ট আর আলাদা

স্টাইল হোক আরামেরঃ-

  • পুজোর প্যান্ডেল হপিং হোক আরামের। এমন জামাকাপড় বাছুন যা হবে আরামদায়ক, অথচ দেখতে গ্রেসফুল
  • পুজোর রাতের ঘোরাফেরার জন্যে থাকুক হালকা লিনেন বা কটন।

ফ্যাশন আসে আর যায়, কিন্তু আপনার সিগনেচার লুক থেকে যায় সবসময়। তাই এই পুজোতে সাজুন নিজের ছন্দে। কারণ ট্রেন্ড তো বদলায়, কিন্তু রুচি থেকে যায়।

Related Posts