‘শাড়ি’ – শুধুমাত্র একটা পোশাক নয়, যেন স্টাইল স্টেটমেন্ট। পার্টি হোক বা অফিস, উৎসব হোক বা সাধারণ দিন – শাড়ির আবেদন সব সময় আলাদা। তবে শাড়ি পড়া যতটা সুন্দর, ঠিক ততটাই যত্নেরও ব্যাপার। আর শাড়ি পড়ার সময় কিছু ছোটখাটো ভুল প্রায় অজান্তেই হয়ে যায়, যেগুলো পুরো লুকটাই নষ্ট করে দিতে পারে। তাই শাড়ি পড়ার আগে কিছু বিষয় খেয়াল রাখা খুব জরুরি, যাতে আপনি হয়ে উঠতে পারেন একেবারে নিখুঁত।

১। ভুল পেটিকোট নির্বাচন
- শাড়ির রঙ ও ফেব্রিকের সঙ্গে মিলিয়ে পাতলা, স্লিম ফিট পেটিকোট বেছে নিন।
- বেশি ফুলে থাকা বা গাঢ় রঙের পেটিকোট পরলে তা দেখতে খারাপ লাগে।
২। প্লিটস অগোছালো রাখা
- শাড়ির সৌন্দর্য অনেকাংশে নির্ভর করে প্লিটসের ওপর। অগোছালো বা অসমান প্লিটস পুরো লুকটাই এলোমেলো করে দেয়।
- সময় নিয়ে সুন্দরভাবে প্লিটস বানান।

৩। সঠিকভাবে পিনের ব্যবহার
- পিন শাড়ি গেঁথে রাখার জন্য দরকারি, তবে অতিরিক্ত পিন ব্যবহার করলে পুরো লুকটাই দেখতে রোবোটিক লাগে।
- আবার একেবারে পিন না দিলে শাড়ি খুলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে। শুধুমাত্র দরকারি জায়গায় ব্যালান্স রেখে পিন দেবেন।
৪। ভুল ব্লাউজ নির্বাচন
- শাড়ির সঙ্গে ব্লাউজের কাট, রঙ, ফেব্রিক ও ফিটিং যদি মানানসই না হয়, তাহলে পুরো লুকটাই নষ্ট হয়ে যায়।
- তাই শাড়ির ডিজাইন আর অনুষ্ঠানের ধরণ অনুযায়ী ব্লাউজ নির্বাচন করা গুরুত্বপূর্ণ।
৫। জুতো পরে শাড়ি না পরা
হিল জুতো পরলে শাড়ি পরার আগে জুতো পরে নিলে শাড়ির দৈর্ঘ্য কতটা রাখা উচিত, সেটা বোঝা যায়। তাই সবসময় শাড়ি পড়ার সময়ই জুতো পরে নিন।

৬। ভুল ইনার পরা
- শাড়ির সঙ্গে ভুল ধাঁচের ইনার পরলে তা ব্লাউজের নিচে ফুটে ওঠে, যা অত্যন্ত বাজে দেখায়।
- ব্লাউজের কাট ও ফেব্রিক অনুযায়ী পারফেক্ট ইনার পরা খুব গুরুত্বপূর্ণ।
৭। আঁচলের দৈর্ঘ্য ঠিক না রাখা
- আঁচল খুব ছোট হলে শাড়ির আভিজাত্যটাই হারিয়ে যায়, আবার বেশি বড় হলে হাঁটাচলায় অসুবিধা হয়।
- সাধারণত হাঁটু বা হাটুঁর একটু নিচ পর্যন্ত আঁচল রাখলে তা দেখতে সুন্দর লাগে।
ছোট খুঁটিনাটিগুলো ঠিক রাখলেই আপনার শাড়ি লুক হয়ে উঠবে একদম পরিপাটি ও স্টাইলিশ।