jamdani

নাইটিঙ্গেল না জুয়েলারি ডিজাইনার?

তানিয়া চক্রবর্তী

কোন নামে ডাকবেন? , ‘ভয়েস অফ ইন্ডিয়া’ নাকি ফ্যাশান ডিজাইনার, নাকি ডায়মন্ড জুয়েলারি ডিজাইনার লতা মঙ্গেশকর? পরণে সাদা শাড়ি, কপালে লাল গোল টিপ, দু’দিকে দুটো বেণী আর দু’কানে দুটো হীরের ছোট্ট দুল! এমনই সাজে দেখতে অভ্যস্থ সুর সম্রাজ্ঞীকে গোটা দুনিয়া। আর রইল তাঁর মিষ্টি সুরের কথা, সেটি আমাদের সকলেরই জানা। কিন্তু এমন অনেক অজানা তথ্য আছে কোকিলকণ্ঠী লতা মঙ্গেশকরের সম্পর্কে, যা হয়ত এখনও আপনাদের কাছে অজানা। যেমন ধরুন ফটোগ্রাফি! জনপ্রিয় সুরকার অনিল বিশ্বাসের নাতনি তথা অভিনেত্রী তুহিনা বোহরা তিনি তাঁর ইনস্টাগ্রামে সুর সম্রাজ্ঞীর কিছু ছবি পোষ্টের মাধ্যমে লেখেন, “ক্রিকেটের প্রতি অগাধ প্রেম, আমিষ ভোজী লতা দিদি দুর্দান্ত ফটোগ্রাফারও ছিলেন”।

কিন্তু এতেই শেষ নয়, ‘ভয়েস অফ ইন্ডিয়া’ লতা মঙ্গেশকর নিজেই গড়ে তুলেছিলেন ফ্যাশান ট্রেন্ড। কারণ তিনি ছিলেন ন্যাশনাল আইকন। তাঁর এই সাদামাটা জীবনযাপন গোটা দেশবাসীর কাছেই এক ফ্যাশান ট্রেন্ড। যেই ট্রেন্ডে হীরের গয়না ছিল খুবই প্রিয় এই কিংবদন্তী শিল্পীর কাছে। ২০০৫ সালে একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে লতা মঙ্গেশকর একবার বলেছিলেন, ”রোজগারের টাকা দিয়ে মাকে প্রথম উপহার কিনে দিয়েছিলাম। পাশাপাশি ১৯৪৭ সালে ৭০০ টাকা দিয়ে নিজের জন্য প্রথম একটি হীরের আংটি কিনেছিলাম। তাতে আমাদের নামের আদ্যক্ষর অর্থাৎ এল এম লেখা ছিল।” এটি তাঁর কাছে অমূল্য বলেও বারবার উল্লেখ করেছেন সুর সম্রাজ্ঞী। লতা মঙ্গেশকর আরোও জানিয়েছিলেন , ”গানের পর হীরেই আমার সবচেয়ে প্রিয় জিনিস।”

লতার মৃত্যুতে গভীর শোকাহত গোটা দেশ সহ জুয়েলারি ডিজাইনার অর্চনা আগরওয়াল। তিনি তাঁর স্মৃতিচারণায় জানান, ”লতাজি একবার একটি ব্র্যান্ডের জুয়েলারি ডিজাইনও করেছিলেন। সেই ব্র্যান্ডের গয়নাগুলিতে তাঁর নাম খোদাই করা ছিল। তিনি নিজেই সেগুলির বিজ্ঞাপনও করেছিলেন।”

এমনই বহু প্রতিভায় প্রতিভাবান ছিলেন এই কিংবদন্তী শিল্পী। যার বির্সজন হল বাগ্দে‌বীর  বির্সজনের দিনই। কিন্তু তিনি চির ঘুমের দেশে পারি দিলেও আজীবন রয়ে যাবেন সকলের হৃদয়ে।

 

Trending

Most Popular


Would you like to receive notifications on latest updates? No Yes