jamdani

রোজ খেলে, সর্দি-কাশি-ব্যথা থাকবে দূরে

তিতির ডগা, হারহস, হিংজা, তিতির শাক, হারহাচ, হিমলোচিকা, হেলচী, হিঞ্চা, হিঞ্চে ইত্যাদি নানা নামে পরিচিত হেলেঞ্চা শাক (Enhydra Fluctuans)। ঔষধি গুণে সমৃদ্ধ এই শাক সাধারণত জলা জায়গায় জন্মাতে দেখা যায়। স্বাদে কিছুটা তেতো হেলেঞ্চা ভাজা, সেদ্ধ, তরকারি, রস বিভিন্ন উপায়েই খাওয়া যেতে পারে।

হেলেঞ্চা শাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-এ, ভিটামিন-সি, পটাশিয়াম, সোডিয়াম, প্রোটিন, লবণ, শর্করা, ফ্যাট এবং প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এছাড়াও এই শাকে রয়েছে বিবিধ ঔষধি গুণ। কোষ্ঠকাঠিন্য, বাতের ব্যথা, হাপানি, সর্দিকাশি, খাবারে রুচি ফেরাতে ভীষণভাবে উপকারি।

হেলেঞ্চার উপকারিতাঃ

ব্যথা নিরাময়ে – আমরা অনেকেই দীর্ঘক্ষণ একভাবে বসে থাকার পর উঠতে গেলেই কোমর এবং শিরদাঁড়ায় তীব্র ব্যথা অনুভব করি। নিয়মিত হেলেঞ্চা খেলে এই সমস্যার ধীরে ধীরে সমাধান হবে।

সর্দি-কাশিতে এই শাকে থাকা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান সর্দি-কাশি কমায় এবং বুকে জমে থাকা কফ নরম করে।

খাবারে রুচি ফেরাতে আমাদের জিহ্বায় অনেক সময় সাদা এক ধরনের স্তর পরে। এতে মুখের ভেতর ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়ার আনাগোনা বাড়ে এবং খাবারের স্বাদ ঠিক মতো পাওয়া যায় না। ফলে খাবারে রুচি হারিয়ে ফেলি আমরা। রোজ হেলেঞ্চা খেতে পারলে এই সমস্যা কমবে।

বাতের ব্যথায় – বয়স বাড়ার সঙ্গে বেশিরভাগ মানুষই বাতের ব্যথার শিকার হন। এক্ষেত্রে ভীষণভাবে কার্যকারী হেলেঞ্চা শাক। এই শাকে থাকা বিভিন্ন উপাদানগুলি ব্যথা উপশমে দ্রুত কাজ করে।

আয়ুর্বেদে এই শাক জ্বর নিরাময়, রক্ত পরিশোধন, খিদে বাড়াতে, ব্যথা কমাতে এবং জীবাণুনাশক হিসাবে ব্যবহার করা হয়।

Trending

Most Popular


Would you like to receive notifications on latest updates? No Yes