jamdani

অ্যান্টি এজিং ডায়েট হোক এই খাবারগুলির সঙ্গে!

এখন আয়নার সামনে দাঁড়ালে মলিন ত্বক আর বয়সের ছাপ খুব বেশি করে চোখে পরছে! স্কিনের লাবণ্যটা ঠিক আর আগের মতো নেই। চিন্তায় কপালে ভাঁজ পড়ে যাচ্ছে। ব্যস্ত জীবনে কাজ আর স্বাস্থ্য দুটোকেই তো ব্যালেন্স করতে হবে। জানেন তো, এজিং রোধে সঠিক খাবার বেছে নেওয়াটা সবথেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অ্যান্টি এজিং ডায়েট আপনাকে সতেজ ও তারুণ্যদীপ্ত রাখতে ভেতর থেকে হেল্প করবে। তাহলে চলুন জেনে নেই, অ্যান্টি এজিং ডায়েটে কোন খাবারগুলো রাখা উচিত।

বেদানা- বেদানার রস পেশীকোষের বয়স বেড়ে যাওয়া রোধ করে। বেদানার বীজ এলাজিক অ্যাসিডের খুব ভালো উৎস। ন্যাচারাল অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে পরিচিত। আর এতেই আপনার ত্বক থাকবে তারুণ্যময় ও গ্লোয়িং। ভিটামিন সি, ভিটামিন-এ সহ আরও অনেক পুষ্টিগুণ সম্পন্ন হওয়ায় অ্যান্টি এজিং ডায়েটে বেদানা অবশ্যই রাখতে হবে।


টমেটো- পাকা টমেটোতে লাইকোপিন নামের একটি উপাদান থাকে। লাইকোপিন এক ধরনের ক্যারোটিনয়েড, যার জন্যই টমেটোর রঙ লাল হয়। এটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে ভিটামিন-ই এর চেয়েও বেশি কার্যকর। স্কিন কুঁচকে যাওয়া বা বলিরেখা দূর করতে পারে টমেটোতে থাকা এই উপকরণ।


বাদাম- কাঠবাদাম, কাজুবাদাম বা চীনাবাদাম, অ্যান্টি এজিং ডায়েটে সবগুলোই উপকারী। স্বাস্থ্যকর ও প্রয়োজনীয় ফ্যাট, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং আমিষের খুব ভালো উৎস হচ্ছে বাদাম। টিস্যুর ক্ষয়পূরণ এবং হরমোনাল ব্যালেন্স ঠিক রাখতে আপনার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় বাদাম রাখুন অবশ্যই।


কলা- ভিটামিন বি-৬, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম, ফাইবার এবং আরও অন্যান্য সব পুষ্টিগুণে ভরপুর হওয়ায় এই ফলটি রাখুন আপনার অ্যান্টি এজিং ডায়েটে।


বেরি জাতীয় ফল- ভিটামিন সি, খনিজ পদার্থ এবং পটাসিয়াম সমৃদ্ধ হওয়ায় বেরি জাতীয় ফলগুলো ত্বকে বয়সের ছাপ পরতে বাঁধা দেয়। স্ট্রবেরি, ব্লু বেরির মত গাঢ় রঙের বেরি ফলগুলো আপনাকে তারুণ্যদীপ্ত থাকতে অনেকটাই সহায়তা করবে। তাই অ্যান্টি-এজিং ডায়েটে বেরি জাতীয় ফল রাখতে ভুলবেন না।


ডার্ক চকলেট- যারা ডার্ক চকলেট খেতে পছন্দ করেন, তাদের জন্য এটা অবশ্যই সুখবর! কোকো উচ্চ মাত্রার অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, প্রোটিন ও ভিটামিন-বি সমৃদ্ধ। পরিমিত পরিমাণে ডার্ক চকলেট খাওয়া আপনার স্বাস্থ্য, ত্বক, চুল সবকিছুর জন্যই কিন্তু এটি ভালো। গবেষণায় উঠে এসেছে, ডার্ক চকলেটে অ্যান্টি-এজিং প্রোপার্টিজ থাকায় এটা ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে এবং বলিরেখা কমিয়ে ফেলে।


অ্যাভোকাডো- দেশীয় ফল না হলেও অ্যাভোকাডো এখন সব জায়গাতেই পাওয়া যায়। অ্যান্টি এজিং ডায়েটে অ্যাভোকাডো বেশ কার্যকরী। কেননা এতে ভিটামিন-ই, পটাসিয়াম, স্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আছে যেগুলো তারুণ্য ধরে রাখে। এটি কোষের পুনর্গঠনে সহায়তা করে, স্কিনকে কোমল রাখে, রিংকল পরা রোধ করে।

Trending

Most Popular


Would you like to receive notifications on latest updates? No Yes