jamdani

ছোট বয়স থেকেই ফল খাওয়ান, দাঁত ভালো হবে

টেরাবেঁকা, উঁচুনিচু দাঁত নিয়ে হীনম্মান্যতায় ভোগার দিন শেষ। দাঁতের অত্যাধনিক চিকিৎসায় কসমোটিক ডেন্টিস্ট্রি, স্মাইল কারেকশন প্রভ্তি এনেছে নতুন দিগন্ত। চোয়াল, মাড়ি বা দাঁতের ডিফর্মেশন সারিয়ে সুন্দর স্বাভাবিক দাঁত পেতে রয়েছে ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জন ডঃ বিজন চক্রবর্তী।

  • কখন থেকে যত্ন নিলে দাঁতের ফমের্শন ভাল হয়?

ভ্রূণের ৬ সপ্তাহ বয়স থেকেই দাঁতের ফমের্শন শুরু হয়। এই সময় থেকেই শুরু করতে হবে যত্নের প্রথম ধান। মায়ের সঠিক পরিচর্যা এবং পুষ্টি প্রয়োজন। এরজন্য পুষ্টিকর সুষম আহার দরকার। বেশ কিছু ওষুধ যেমন পেন কিলার বা অ্যান্টিবায়োটিক যথা ট্রেটাসাইক্লিন, ক্লোরোমফেনিকল অথবা স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ এ সময় নিজে নিজে খাওয়া একেবারেই উচিত নয়। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনও ওষুধই খাওয়া উচিত নয়। এ-সব ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় শিশু জন্মানোর পর দাঁতের না না ডিফর্মেশন ঘটতে পারে। দাঁতের স্বাস্থ্যও নষ্ট হতে পারে।

  • শিশু জন্মানোর পর কখন থেকে দাঁতের যত্ন নেওয়া উচিত?

শিশু জন্মের পর সাড়ে পাঁচ মাস থেকে ছয় মাসের মধ্যে যখন দুধের দাঁত গজাতে শুরু করে, তখন থেকেই যত্ন নেওয়া শুরু করা উচিত। অনেকেই মনে করেন দুধের দাঁত যেহেতু পড়ে যায় এবং পরবর্তীতে নতুন দাঁত গজায় তাই সে রকম যত্ন না নিলেও চলে। এটা মারাত্মক ভুল। দুধের দাঁতেরও যত্ন দরকার। আমরা বলি, ‘ক্যাচ দেম ইয়ং’। ছোট থাকতেই দাঁতের বিশেষ যত্ন নিতে হবে। প্রথমত, সুস্থ সবল দাঁত দিয়ে সটিকভাবে চিবিয়ে খাবার খেলে তবেই দেহের সঠিক পুষ্টি সাধিত হয়। এ ছাড়াও দুধের দাঁত থাকা অবস্থাতেই দাঁতের ফর্মেশন সঠিক আকার নেয়। দুধের দাঁতের নিচেই থাকে স্থায়ী আরেক সারি দাঁত। দুধের দাঁত পড়ে গেলে এই দাঁত বেরিয়ে আসে। সুতরাং, দুধের দাঁতই অভিন্ন স্থায়ী দাঁতকে ডেন্টাল আর্চে আসতে সাহায্য করে। এই পার্মানেন্ট দাঁতের ঠিকঠাক ফর্মেশন, সঠিক জায়গায় ‘জ’ প্লেসমেন্টের জন্য যত্ন এবং বিশেষজ্ঞের পরামর্শ দরকার। দাঁতের সমস্যা আপাতভাবে না থাকলেও এ সময় ডেন্টিস্টের পরিচয় করানো অবশ্যক। প্রতি ছ’মাস অন্তর একবার চেকআপ করাতে হবে। তাও হলেই আগামীতে আঁকাবাঁকা, উঁচুনিচু বা ফাঁকা ফাঁকা দাঁত হওয়ার সম্ভাবনা এতে কমে যায়।

  • শিশুর দাঁতের সাধারণ যত্ন কীভাবে নিতে হবে?

প্রথমেই বলব বাচ্চাদের স্টিকি রিফাইন্ড সুগার আছে এমন খাদ্য, যেমন চকোলেট, চিকলেট, বাতাসা, মিছরি, জিলিপি, রসগোল্লা ইত্যাদি একেবারেই খাওয়ানো চলবে না। যদি খায় সঙ্গে সঙ্গে ব্রাশ করাতে হবে। না হলে দাঁতে আটকে থাকবে। ক্যাভিটি দেখা দেবে। এর বদলে বাচ্চাকে বেশি করে ফল খাওয়াতে হবে। ফলে প্রচুর ডায়াটারি ফাইবার থাকায় ন্যাচারাল রিফ্লাক্স হয়। ঘর্ষণের ফলে মেকানিক্যাল ক্লিনজিং হয়। এতে দাঁতের স্বাস্থ্য ভাল থাকে।

Trending

Most Popular


Would you like to receive notifications on latest updates? No Yes