jamdani

কাটাছেঁড়া থেকে কুষ্ঠ, মুশকিল আসান কানাইবাঁশি

উজ্জ্বল নীলচে রঙের তিনটি পাপড়ি, মাঝে হলুদ রেণু, ছোট ছোট গোলাকার সবুজ পাতা। নাম কানাইবাঁশি। না, কৃষ্ণের বাঁশির সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই। গ্রাম বাংলার আনাচে কানাচে অযত্নেই বেড়ে ওঠে এই উদ্ভিদ। তবে আগাছা হলেও ঔষধি গুণে ভরপুর।

কানাইবাঁশি ছাড়াও কানছিড়ে, ঢোলপাতা, কানশিরে ইত্যাদি নানা নামে পরিচিত এই উদ্ভিদটি। ভারতসহ অন্যান্য এশিয় দেশ, আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং নর্থ আমেরিকায় জন্মাতে দেখা যায় এই গাছ। জঞ্জাল হিসেবে অবহেলিত কানাইবাঁশির ভেষজ গুণ আমাদের কাছে অজানা। চলুন জেনে নেওয়া যাক কী কী উপকারি গুণ রয়েছে এই উদ্ভিদে।

কেটে গেলেঃ

  • হাত বা পায়ের কোথাও কেটে গেলে এই গাছের কান্ড ভেঙে, গাছের রস বা আঠা ক্ষতস্থানে লাগালে কাটা জায়গা জুড়ে যায় তাড়াতাড়ি।

কুষ্ঠ রোগেঃ

  • কানাইবাঁশি পাতার রস কুষ্ঠ রোগের নিরাময়ে বিশেষ ভূমিকা রাখে।  

চর্ম রোগেঃ

  • দাদ ও একজিমার মতো চর্ম রোগ সারাতে এই গাছের রস ভীষণভাবে উপকারি।   

আগুণে পুড়ে গেলেঃ

  • আগুনে পোড়া জায়গায় কানাইবাঁশির পাতা বেটে পোড়া স্থানে লাগালে সুফল পাওয়া যায়।

প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিকঃ

  • এই গাছের রস অ্যান্টিসেপটিক গুণ সম্পন্ন।

কানের সমস্যায়ঃ

  • কানে ব্যথা হলে কানাইবাঁশির রস (২ ফোঁটা) কানে দিলেই উপকার মেলে

 

*মনে রাখবেন, যেকোনও গুরুতর সমস্যায় এই উদ্ভিদের ভরসায় না থেকে যথা শীঘ্র সম্ভব চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

Trending

Most Popular


Would you like to receive notifications on latest updates? No Yes