jamdani

অদ্বিতীয়া, যিনি….. গুণেও সরস্বতী।। শান্তি মল্লিক

স্ব স্ব ক্ষেত্রে ওদের কাজই গুণমুগ্ধদের সংখ্যা বাড়িয়েছে। ওরা আমার আপনার সকলেরই পরিচিত।  এই অদ্বিতীয়াদের শ্রী ওদের গুণেরই প্রতিচ্ছবি। বাগদেবীর আরাধনার দিনে তাই এই গুণে সরস্বতীদের আরও একবার আপনাদের সামনে তুলে ধরা।  সেই  সরস্বতীদের সারণীতে রয়েছেন দময়ন্তী সেন, সংঘমিত্রা বন্দ্যোপাধ্যায়, শান্তি মল্লিক, শ্রেয়া ঘোষাল ও সোয়েতা দত্ত।  দময়ন্তী সেন, সংঘমিত্রা বন্দ্যোপাধ্যায়, শান্তি মল্লিক, শ্রেয়া ঘোষালকে নিয়ে আলাপচারিতায় রণবীর ভট্টাচার্য আর সোয়েতা দত্তের সঙ্গে পরিচয় করাচ্ছেন তানিয়া চক্রবর্তী।

সাতসকালের রবীন্দ্র সরোবর, কমবয়সী কিছু ছেলেমেয়ে ফুটবল নিয়ে কসরত করে যাচ্ছে আর একটু দূরত্বে দাঁড়িয়ে এক ট্র্যাকস্যুট পরিহিতা এক মাঝবয়সী মহিলা বলে চলেছেন,”পাস, পাস, পাস”

এই আন্দাজ মিলবে না সহজ করে। কারণ মহিলা ফুটবল নিয়ে ভারত ভাবেনি কখন। তবে ইনি শান্তি মল্লিক, প্রথম ভারতীয় মহিলা ফুটবলার যিনি অর্জুন পুরস্কার পেয়েছিলেন। অর্জুন পুরস্কার ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পুরস্কার এবং শান্তি মল্লিক ভারতীয় মহিলা ফুটবলের সবচেয়ে বড় আইকন, এই নিয়ে সত্যি কোনও দ্বিমত নেই।

১৯৯৬ সালে অবসর নেওয়ার আগে শান্তি মল্লিক দাপিয়ে খেলেছেন আন্তর্জাতিক স্তরে। ভারতের হয়ে ১৯৭৯ এবং ১৯৮৩ সালে এএফসি উওমেন্স কাপের ফাইনালে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন শান্তি মল্লিক। সেই যুগে ফুটবল খেলে টাকা ছিল না। তাই সংসারে অর্থের টানাপোড়েনে ১৯৮৬ সাল থেকে ১৯৯৪ পর্যন্ত হকিও খেলেন শান্তি মল্লিক। তারপর ইস্টার্ন রেলের চাকরি পেয়ে স্বস্তি ফিরে পান জীবনে এবং আবার ফুটবলের জীবনে ফিরে আসেন এবং সসম্মানে ভারতীয় দলে নির্বাচিত হন।

ভারতীয় মহিলা ফুটবল সব দিক থেকেই অবহেলিত। মহিলাদের জন্য আই এস এল চালু করা নিয়ে কারোর ভ্রুক্ষেপ নেই। তবে চিরকালের লড়াকু শান্তি মল্লিক কিন্তু আজও একরকম। নিজের সব সাফল্য দেশকে ফিরিয়ে দিতে চান আরো অনেক শান্তি মল্লিক বানিয়ে।

আপনাকে স্যালুট, শান্তি মল্লিক!

Trending

Most Popular


Would you like to receive notifications on latest updates? No Yes