jamdani

পাত্র এনআরআই না হলে বিয়ে নৈব নৈব চ!  

রুমা প্রধান

এমনিতেই বিয়ের জন্য পাত্রী খুঁজে পাওয়া যায় না। এই গ্রামের মেয়েরা আবার এনআরআই পাত্র ছাড়া বিয়ে করতে নারাজ। একটা-দুটো গ্রাম নয়। মোট ৪২টা গ্রামের মেয়েদের একই দাবি।

গুজরাতের গাঁধীনগর এবং মেহসেনা জেলার অন্তর্গত ৪২টি গ্রামে পাতিদার সম্প্রদায়ের বসবাস। সেখানে ছেলের বিয়ের জন্য সম্বন্ধ দেখতে গেলেই প্রথম প্রশ্ন, “ছেলে এনআরআই কিনা? অথবা তার পরিবারের কেউ আমেরিকাবাসী কিনা?” উত্তর হ্যাঁ হলে তবেই বিয়ে সম্ভব। নইলে বিবাহ অভিযানে সে ফেল! কখনও শুনেছেন এমন দাবি? আসলে না শোনাটাই স্বাভাবিক!

 

গুজরাতের পাতিদার সমাজে বহুদিন ধরে চলছে এই রেওয়াজ। রেওয়াজই বটে! যার ফলস্বরূপ বিয়ের জন্য উপযুক্ত পাত্র এবং পাত্রী খুঁজে পাওয়া দুষ্কর হয়ে উঠেছে। তবে এখানেই শেষ নয়, পাত্র আমেরিকা বা কানাডাবাসী হলে বিপুল পরিমাণ অর্থ দাবি করে পাত্রীপক্ষের কাছে। আর মেয়ের বিয়ে দিতে সেই পণ দেয় পাত্রীর পরিবার। আশ্চর্যজনক বিষয় হল, সেই পণের অঙ্ক আকাশ ছোঁওয়া। ১৫ থেকে ৩০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত পৌঁছায় সেই পণ! এদিকে আমাদের দেশে পণ নেওয়া আইনত অপরাধ! অথচ এখানেই প্রকাশ্যে চলছে পণের লেন-দেন! ওই যে, এনআরআই নিয়ে মেয়েপক্ষের যখন এত গোঁ, বরপক্ষও আর সুযোগ ছাড়ে কেন! আর যদি উল্টোটা হয়? পাত্রী যখন এনআরআই, তখন আবার কনেপক্ষ দর হাঁকবে! সত্যি সেলুকাস!

 

 

Trending

Most Popular


Would you like to receive notifications on latest updates? No Yes