jamdani

সুন্দরবনে ‘বাস’ ছুটবে সমুদ্রের উপর দিয়ে

এই প্রথম। কোনও লঞ্চ-স্টিমার নয়। একেবারে অন্য এক চমক-যান দেখতে চলেছেন সুন্দরবনবাসী। সুন্দরবনের সমুদ্রে। মালয়েশিয়া থেকে নিয়ে আসা শীতাতপনিয়ন্ত্রিত, প্লেনের মতো দেখতে যে ‘ওয়াটার বাস’ রাস্তার বাসের মতোই প্রায় ৪০ কিমি ঘন্টা প্রতি বেগে জলের উপর দিয়ে ছুটে যাবে হু হু করে। সুন্দরবনের মাতলা, বিদ্যাধরী, গোমর নদী বেয়ে। কলকাতার মিলেনিয়াম পার্ক ঘাট থেকে যে বাস, সুন্দরবনের পাখিরালয়, সজনেখালি পৌঁছে যাবে মাত্র কয়েক ঘন্টায়। প্রায় ৪১ মিটার লম্বা দ্রুত গতির এই জলজ যানে করেই ৫০-৫৫জন প্রবীণ-অপ্রবীণ মানুষজনদের নিয়ে এক ‘সিনিয়র সিটিজেন ফ্যামিলি’ প্যাকেজ ট্যুরের আয়োজন করেছে ‘ঠিকানা সিমলা’। ৯ থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি, তিন রাত চার দিনের যে ট্যুর মূলত প্রবীণদের জন্যে হলেও, তাতে অপ্রবীণদের যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে সে ক্ষেত্রে দলে একজন প্রবীণ বা প্রবীণা অন্তত থাকতে হবে।

চারদিনের এই প্যাকেজে থাকা সজনেখালির উল্টোদিকের পাখিরালয়ের এক রিসর্টে। প্রতি সন্ধেয় ঝুমুর নাচ, বনবিবির পালা, মধু সংগ্রহ করতে গিয়ে বাঘের মুখ থেকে বেঁচে আসা মউলের মুখ থেকে ভয়ঙ্কর গল্প শোনার অভিজ্ঞতা এক অদ্ভুত শিহরণ জাগাবে মনে। প্যাকেজে থাকবে প্রজেক্টারের মাধ্যমে সুন্দরবনের উপর তথ্যচিত্র। ক্যাম্প ফায়ার।

একদিন লঞ্চে করে ঘুরে বেড়ানো সুন্দরবনের আনাচে-কানাচে। সুধন্যখালি-সজনেখালি- দোবাকি-পঞ্চমুখানির মতো নানা জায়গা। অন্যদিনে সুন্দরবনের কোনও গ্রাম ঘুরে দেখা। সেই দেখার মধ্যে পড়বে ‘রাঙ্গাবেলিয়া প্রজেক্ট’। দেখবার মতো যেখানকার মেয়েদের হস্তশিল্প। যা কিনতে পাওয়া যাবে, সেখানকার শো-রুম থেকে।

লঞ্চ থেকে আবার ওয়াটার বোটে ফেরা। মন চাইলে ক্যাপ্টেনের অনুমতি নিয়ে আপনি চেপে বসতে পারেন উপরের ডেকে। যেখানে বসে দেখতে পারেন চলমান গঙ্গা-মাতলা-বিদ্যাধরী-গোমর নদীর স্রোতধারা। অপার ভাললাগার জলছবি। তার মাঝে উপরি পাওনা স্প্যানিশ গিটার বাজিয়ে লাইভ প্রোগ্র্যাম, ম্যাজিক শো।

বাংলার এমন প্রথম জলজ-বাসে চড়ে সুন্দরবন প্যাকেজে যাওয়ার জন্য যোগাযোগের ঠিকানা-

‘ঠিকানা সিমলা’, অশোকনগর, মোবাইল নাম্বার-৯৩৩০৮-৪৩৩৯৪

 

Trending

Most Popular


Would you like to receive notifications on latest updates? No Yes