jamdani

মৎস্য মারিব খাইব সুখে

কথায় বলে মাছে-ভাতে বাঙালি। প্রতিদন ভাতের পাতে মাছ না পড়লে বাঙালির সুখী জীবনে ভাটা পড়ে। যে-কোনও বাঙালি উৎসবে মাটন, বিরিয়ানি, কোরমা যাই হোক না কেন, মাছ চাই-ই চাই। মাছকে বাঙালিরা শুভ জিনিস বলেও গণ্য করে। দশমীতে জোড়া ইলিশ, অধিবাসের তত্ত্বে নাকে নথ পরানো গোটা রুই এ-রকম আরও কত কী আয়োজনে মাছ একেবারে অপরিহার্য। সংসারে মৎস্য রন্ধনে সুপটু গৃহবধূর কদরই আলাদা। কিন্তু মাছ রান্না করতে গিয়ে নানা অসুবিধাতে পড়ে নাকানিচোবানি খাননি এমন গিন্নি কমই আছে। অদ্বিতীয়াতে এবার রইল মাছ রান্নার কিছু কায়দাকানুন –

  • যে-কোনও মাছ ধুয়ে, তেলে ভাজার আগে একটু চিনি মাখিয়ে ভাজলে মাছ মচমচে হয়।
  • যে সব মাছের ত্বক মসৃণ, তাদের ভাজতে গেলে তেল ছিটকে ফোসকা পড়ে একাক্কার হয়। বাঁচতে চাইলে মাছ ধুয়ে নুন, হলুদের সঙ্গে খানিকটা সর্ষের তেল মাখুয়ে ভাজুন। তেল অতটা ছিটকোবে না।
  • মাছ ভাজবার আগে গরম তেলে একটু হলুদ গুঁড়ো ফেলে দিন। তেল ছিটকোবে না।

  • সিলভারকাপ জাতীয় মাছ ভাজতে গেলে প্রায়ই ভেঙে যায়। মাছ টুকরো করে ভালোভাবে ধুয়ে মিনিট পাঁচেক তেঁতুল জলে ডুবিয়ে রাখুন। এরপর মাছ ভাজলে আর ভাঙবে না।
  • মাছে ঝোলে তেল বেশি হয়ে গেলে শুকনো সাদা কাগজ ঝোলের মধ্যে ডুবিয়ে তুলে নিন। অতিরিক্ত তেল আলাদা হয়ে যাবে।
  • মাছ খেতে গিয়ে হঠাৎ যদি গলায় কাঁটা বিঁধে যায়, কাঁঠালি কলা খাওয়ালে কাঁটা নেমে যায়। শুকনো ভাত গ্রাস পাকিয়ে খাওয়ালেও কাঁটা সরে যায়।
  • ডিপ ফ্রিজে মাছ স্টোর করার সময় পলিপ্যাক সুদ্ধ রেখে দেবেন না। আইস ট্রে-তে প্যাকেট আটকে গিয়ে বিপত্তি ঘটতে পারে। ফাইবার বা স্টিলের বক্সে মাছ রেখে নিশ্চিন্তে রাখুন আইস ট্রে-র ওপর।
  • মাছ শুধু খাওয়ারই নয় – দেখারও। বাড়িতে অ্যাকোয়ারিয়াম থাকলে গৃহসজ্জার নান্দনিকতায় আলাদা মাত্রা যোগ হয়। নিয়মিত অ্যাকোয়ারিয়াম পরিস্কার করার সময় জলটা ফেলে দেবেন না। গাছের গোড়ায় দিন। সার হিসেবে চমৎকার।

Trending

Most Popular


Would you like to receive notifications on latest updates? No Yes