jamdani

মাইন্ড ফ্রেস ঝাড়গ্রামে

কোভিড পরিস্থিতে সবাই প্রায় ঘর বন্দি। ফের মানসিক দুশ্চিন্তার শিকার দেশ থেকে রাজ্যবাসী। আর সেই মানসিক দুশ্চিন্তা থেকে নিজেকে আর বাড়ির সদস্যদের একটু স্বস্তি দিতে ঘুরে আসতেই পারেন ঝাড়গ্রামে। কদিন একটু গ্রাম্য পরিবেশে নিস্তব্ধতার কাটান, জঙ্গল ও সবর্ণরেখা নদীর ধারে নির্জন পরিবেশে। এটি পশ্চিমবঙ্গের ২২ তম জেলা। উত্তরে রয়েছে বেলপাহাড়ি আর দক্ষিনে সুবর্ণরেখা নদী। সবমিলিয়ে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও জঙ্গলে ঘেরা মনোরম পরিবেশ আপনাকে দেবে রোমাঞ্চ ও মনের শান্তি।

বেলপাহাড়ি ট্রেকিং-এর জন্য বিখ্যাত, পেশাদারী ট্রেকার নাহলেও পাহাড়ে চড়ার আনন্দ উপভোগ করতে পারবেন।এরপর ঘুরে আসুন ঝাড়গ্রামের রাজবাড়ি। রাজবাড়ি বুকিং করা থাকলে সেখানে রাত কাটানোর সুযোগ পাবেন। দিনে চিল্কিগড় রাজবাড়ি ঘুরে দেখুন। পরিবারের স ঙ্গে, বন্ধুদের সঙ্গে অথবা  একলা গেলেও আপনি আপনার মনের মতো সময় কাটাতে পারবেন এখানে।  ঘাগড়া ফলস ঝাড়গ্রামের মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশকে পূর্ণতা দেয়, খান্দারানী লেক, কনক দুর্গা মন্দির আর তারপাশের জঙ্গলে বিকেলটা ভালই কাটবে আপনার। এছাড়াও জঙ্গলে হনুমান, নানা জাতের পাখির কিচিরমিচির শুনতে শুনতে আপনি ভুলেই যাবেন কখন সন্ধ্যে হয়ে গেছে। জঙ্গলের পাশে আছে ছোট্টো ডুলুং নদী, ভেষজ উদ্ভিদের বাগান। বাগানে বিভিন্ন প্রজাতির ভেষজ গাছের উৎপাদন হয় সেখানে।বাগানে রয়েছে রঙবেরঙের ফুলের সমারোহ আর মধুতে ভরা মৌচাক। সময় থাকলে ঝাড়গ্রামের মিনি জু টাও একবার ঘুরে আসতে পারেন। ভালই লাগবে পশু-পাখিদের সাঙ্গে সময় কাটাতে। সঙ্গে যদি পরিবারের ছোটো কোনও সদস্য থাকে, তো কথাই নেই।পাশাপাশি  ঝাড়গ্রামে উৎসবের সময় বা হস্ত শিল্প মেলার সময় গেলে সব থেকে ভালো। এই সময় মেলায় ঘুরে ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দেখে আপনার ছুটির সময় দেখতে দেখতে কেটে যাবে। মেলার প্রধান আকর্ষণ ছৌ নাচ, বাঊল গান ও সাঁওতালি নাচ।

কোথায় থাকবেন?

ঝাড়গ্রাম ট্যুরিজমের অন্তর্ভুক্ত যে কোনো রিসোর্টে বা ঝাড়গ্রাম রাজবাড়ি ট্যুরিস্ট কমপ্লেক্সে আগে থেকে বুকিং করার সুযোগ আছে।

কীভাবে যাবেন?

ঝাড়গ্রামের দূরত্ব কলকাতা থেকে ট্রেনে ১৫২ কিমি । হওড়া লাইনে খড়গপুর থেকে টাটানগরের মধ্যে ঝাড়গ্রাম স্টেশন পরে। হওড়া থেকে ট্রেনে সময় লাগে ৩ ঘণ্টা। ইস্পাত এক্সপ্রেস, লালমাটি এক্সপ্রেস, কোড়াপুট হাওড়া এক্সপ্রেস এই ট্রেনেগুলি। এছাড়াও আরও অনেক এক্সপ্রেস ট্রেন আপনি পেয়ে যাবেন হাওড়া থেকে। ঝাড়গ্রামে পৌঁছে ঝাড়গ্রাম ট্যুরিজমের দেওয়া গাড়ীতে বা নিজেদের গাড়িতেও চারপাশে ঘুরে দেখতে পারেন। রাস্তা খুব ভালো তাই কোনো অসুবিধা হবে না।

Trending

Most Popular


Would you like to receive notifications on latest updates? No Yes