jamdani

বয়স যাই হোক না কেন, ত্বকের যত্ন মাস্ট

আপনি কি রোজ ত্বকের পরিচর্যা করেন? ক্লিনজিং, টোনিং, ময়েশ্চারাইজিং, ফেস মাস্ক, কোনও কিছুই বাদ রাখেন না? কিন্তু একবারও কি ভেবে দেখেছেন, আপনার ত্বক পরিচর্যার রুটিন আপনার বয়সের সঙ্গে মানানসই কিনা? এর আসল কারণ হলো বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের ধরন পালটে যায়, যার ফলে পরিচর্যার প্যাটার্নেও বদল আনা দরকার৷

হোক শুরু কুড়িতেই

কুড়ির কোটায় সদ্য সদ্য পা রেখেছেন যারা তাঁদের জন্য ক্লেনজিং-টোনিং-ময়েশ্চারাইজিংয়ের রুটিন মেনে চলুন। সঙ্গে প্রয়োজন সঠিক সানস্ক্রিন লোশনের। এর সঙ্গে বেছে নিতে হবে ‘ব্রড স্প্রেকটাম’ লোশন যা আলট্রাভায়োলেট ‘এ’ এবং ‘বি’ দুটো ক্ষতিকর রশ্মিই আটকে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। এই সময় তেলতেলে ত্বকের সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। তেলতেলে ত্বকের কার্যকরী উপাদান হিসেবে শসা, পাতিলেবুর রস, সাদা চন্দন, গ্লিসারিন, মধু ও গোলাপ জলের কোনও বিকল্প নেই।

ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়ার প্রথম ধাপ কুড়ি বছর বয়স থেকেই শুরু হয়। এজিংয়ের কথা শোনামাত্রই ব্লিচ, স্টিম ফেসিয়াল বা কোনও রাসায়নিক ট্রিটমেন্টের কথা ভুলেও ভাববেন না। যোগব্যায়াম ও এক্সারসাইজ় করুন। স্বাস্থ্যকর খাবার খান। ত্বক তেলতেলে হলে বা অ্যাকনের জন্য তেলমুক্ত ফেসওয়াশ,  হালকা স্ক্রাব, টোনার এবং ম্যাট ফিনিশের সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।

মাঝামাঝি মাঝবয়সী

ত্রিশের পর থেকেই চোখের নীচে ফাইন লাইনস এবং ডার্ক সার্কল দেখা দেয়। এই সময় থেকে নায়াসাইনামাইড এবং কিউ ১০ এনজ়াইমযুক্ত আন্ডার আইক্রিম লাগানো উচিত। চল্লিশের পর থেকে আন্ডার আইক্রিমকে আপনার নিত্য ব্যবহার্য প্রডাক্টের তালিকায় রাখতেই হবে।

প্রতিদিন রাত্রে ব্যবহার করুন পেপটাইডযুক্ত আইক্রিম। তার সঙ্গে রোজ়মেরি অয়েল বা আমন্ড অয়েলের সঙ্গে মাখন মিশিয়ে মাসাজ করতে পারেন। এতে ত্বক নতুন জীবন লাভ করবে এবং ফিরে আসবে উজ্জ্বলতাও।  এছাড়া তিলের তেল, অলিভ অয়েল এবং পিচ বা আপেলের মতো ফলের নির্যাসও ব্যবহার করা যেতে পারে।

ফিফটি-র আত্মবিশ্বাস

পঞ্চাশে পা দিলে মোটামুটি সব মহিলাদেরই মেনোপজ হয়ে যায়। আর মেনোপজ মানেই কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ আর হরমোনের কম বেশি হওয়ার আশঙ্কা। এই সময় ত্বক নির্জীব দেখায়। প্রচুর পরিমাণে বলিরেখা, স্যাগিং এবং চোখের নীচে ফোলাভাবও দেখা দেয়। বিশেষ করে স্বাভাবিক ফ্যাট হারিয়ে ত্বক ঈষৎ ঝুলে যায়।

উপায়, সেই কুড়ি বছর বয়স থেকে শুরু করা ক্লেনজিং, টোনিং, ময়েশ্চারাইজিংয়ের রুটিন ফলো করে যাওয়া। তার সঙ্গে অবশ্যই বাইরে বেরোলে সানস্ক্রিন লাগানো। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ কোনও ক্রিম বা সেরাম বেছে নেওয়া উচিৎ যাতে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকে।

জীবনের হাফ সেঞ্চুরি যখন হাসতে হাসতে পার করেই ফেলেছেন তখন আর এত চাপ না নিয়ে খোলা মনে হাসিখুশি জীবন যাপন করুন। ভালো করে ঘুমোন। গ্রিন-টি’র অভ্যেস করুন। আর প্রচুর ফল এবং শাকসব্জি খান। প্রাণ খুলে আড্ডা দিন আর বেরিয়ে আসুন পাহাড় কিংবা সমুদ্রে। দেখবেন বয়স চৌকাঠের বাইরে এসে থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। আর আপনিও হয়ে উঠেছেন প্রাণবন্ত, উচ্ছ্বল।

আরও বেশি জানার জন্যে, আপনাদের জন্য রইল নিচের লিঙ্কটি। ক্লিক করুন আর দেখে নিন আপনার ত্বকের সমস্যার সমাধান।

Trending


Would you like to receive notifications on latest updates? No Yes