jamdani

ত্বকের যত্নে কাঁচা দুধ

প্রাচীন যুগে চীন, মিশরের রাণীরা কাঁচা দুধে স্নান করত। এই গল্প কমবেশি অনেকেই শুনেছি আমরা। সৌন্দর্যচর্চায় কাঁচা দুধের ব্যবহার সেই প্রাচীনকাল থেকেই হয়ে আসছে। কাঁচা দুধের ক্লিঞ্জিং, টোনিং আর ময়েশ্চারাইজিং প্রোপার্টি-এর কারণে আপনার ত্বকের ধরণ যেমনই হোক না কেন কাঁচা দুধ ব্যবহার করলে স্কিন-এ গ্লো ফিরে আসবেই।

ত্বকের যত্নে কাঁচা দুধের কার্যকারীতা

  • ক্লিনজার হিসেবে কাঁচা দুধ ভীষণ উপকারী। অল্প একটু তুলো নিয়ে সেটা কাঁচা দুধে ভিজিয়ে পুরো মুখ আস্তে আস্তে মুছে নিন। তুলোতে যে কী পরিমাণ ময়লা উঠে আসবে, সেটা দেখে আপনি নিজেই অবাক হবেন।
  • ত্বকের আসল রঙ ফিরিয়ে আনতে দু চা চামচ কাঁচা দুধে ১ চা চামচ লেবুর রস মিক্স করে পুরো মুখে, গলায়, হাতে, পায়ে লাগিয়ে আধঘণ্টার জন্য রেখে দিন। এরপর নরমাল জলের ঝাপটায় মুখ ধুয়ে নিন। ত্বকের যত্নে কাঁচা দুধ নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকের রঙে সামঞ্জস্যতা আসবে এবং উজ্জ্বল হবে।
  • শুষ্ক ত্বকের ডিপ ময়েশ্চারাইজার হিসেবে দুধ দারুণ কাজ করে। যাদের স্কিন অনেক বেশি ড্রাই, তারা রাতে ঘুমোতে যাবার আগে একটা তুলোর বল কাঁচা দুধে ভিজিয়ে পুরো মুখে লাগিয়ে নিন। ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর মুখ ধুয়ে নিন।
  • রোদে পোড়াভাব দূর করতে একটা পাতলা কাপড় কাঁচা দুধে ভিজিয়ে নিংরে রোদে পোড়া স্কিন-এর উপর আধ ঘণ্টার জন্য রেখে দিন। তারপর ঠাণ্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
  • চালের গুঁড়োর সাথে কাঁচা দুধ আর মধু মিশিয়ে স্ক্রাব তৈরি করে নিন। সপ্তাহে কমপক্ষে ২-৩ দিন এটা দিয়ে স্কিন-কে সার্কুলার মোশনে ম্যাসাজ করে স্ক্রাবিং করে নিন ১০ মিনিটের জন্য। স্কিন-এর ডেডসেলসগুলোকে দূর করে স্কিনকে আরো বেশি উজ্জ্বল আর প্রাণবন্ত করে তুলবে।
  • উজ্জ্বল ত্বক পেতে বেসন, কাঁচা হলুদ বাটা, কাঁচা দুধ মিশিয়ে ফেসপ্যাক তৈরি করে লাগাতে পারেন। ত্বকের কালচে ভাব দূর করে ত্বককে উজ্জ্বল করে তুলতে সাহায্য করবে।
  • দুধ আর মধু একত্রে মিশিয়ে আধ ঘণ্টার জন্য লাগিয়ে রাখুন। আধঘন্টা পর জল দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। আস্তে আস্তে দাগ চলে যাবে।
  • ঠোঁটের কালচেভাব দূর করতে কাঁচা দুধের জুড়ি নেই। একটি তুলোর বলে কাঁচা দুধ নিয়ে ঠোঁটে লাগিয়ে রাখুন ৫ মিনিট। এরপর ভালো করে ধুয়ে নিয়ে, মুখে ভালো মানের লিপবাম অ্যাপ্লাই করুন।

Trending


Would you like to receive notifications on latest updates? No Yes