jamdani

ডুয়ার্সের জলদাপাড়ায়

মানস মুখোপাধ্যায়

মনের ইচ্ছাটা অনেকদিনের। হপ্তা-খানেকের ছুটিতে যাবো

হলং। হলং বাংলোয় বসে, জম্পেশ চা-পকোড়ার ফাঁকে তো থাকবেই!

তবে ডেট অনুযায়ী দুর্দান্ত এই বাংলোর বুকিং পাওয়া ভগবানের দেখা পাওয়ার সমান ।

চটজলদি ডুয়ার্স প্রোগ্রামে তাই জলদাপাড়া যাওয়া হলেও, হলং বাংলোয় বুকিং পেলাম না।

চেষ্টা-চরিত্র করে এক প্রাইভেট হোটেলেই থাকার ব্যবস্থা হল। ৩১ সি জাতীয় সড়কের ধারেই এই রিসর্ট। রিসর্টের রিসেপশনে দেখি ফিল্মস্টারদের বড় বড় ছবি টাঙানো। জিজ্ঞাসা করে জানা গেল, ডুয়ার্সে “মনের মানুষ” ছবির শুটিং-এর সময় কয়েকজন ফিল্মস্টার এখানে ছিলেন। ফলে গুরুত্বের ও গুণমানের দিক থেকে ওনার হোটেল কতটা সেরার সেরা এটা প্রমাণের জন্যই এই চটকদার বিজ্ঞাপন। হলং বাংলোর কাছে অবশ্য এসব হাজারও বিজ্ঞাপন কিছুই না। তবে জঙ্গলের মধ্যে না হলেও, জঙ্গলের মতো সুন্দর  পরিবেশে কটেজধর্মী হোটেলটা মন্দ নয়।

চিলাপাতা থেকে দক্ষিণ খয়েরবাড়ি রেসকিউ সেন্টার ঘুরে পড়ন্ত বিকেলে এখানে পৌঁছোলাম। তবে বর্তমানে ৩১ সি জাতীয় সড়কের অবস্থা একটুও ভাল নয়। রাস্তা, না মাঠের মাঝ বরাবর গাড়ি চলছিল বোঝা শক্ত। গাড়ির মধ্যে থেকেও গায়ে-মাথায় ধুলোর আস্তরণ। যেন ধলো-আবিরের অকাল বসন্ত। জলদাপাড়া জঙ্গলে ঢোকার অনুমতি হয়েছে কাল সকালে। এছাড়া উপায়ও নেই, আজ আর কোথাও যাওয়ার নেই। তাই স্রেফ রিসর্টের লনে বৈকালিক পদচারণ। সময় নিয়ে সূর্যাস্তাটা দেখলাম। অস্ত যেতে সূর্য কত যে ডুয়ার্সের জঙ্গলে রং ছড়াল, তার ইয়ত্তা নেই। অন্ধকার নামার আগে পর্যন্ত ঘোরাঘুরি করেই কেটে গেল। পরদিন সাতসকালেই ছুটবো জঙ্গল গভীরে – এই ভাবনা মনে রেখেই ডিনারের পর ডুব দিলাম ঘুমের দেশে। পরদিন ব্রেকফাস্টের পর বসে আছি। কখন আসবে গাড়ি। ‘তোমার দেখা নাই রে’ গানটা মনে মনে ক’বার গাওয়াও হয়ে গেছে। অপেক্ষাটা প্রলম্বিত হওয়ার আগেই অবশ্য গাড়ির আগমন। যদিও তার দৌড় মোটেই বেশি দূর নয়। মাদারি হাট বনবাংলো। চত্বরের চৌহদ্দির মধ্যে নামিয়ে দিয়ে তার ছুটি। কার পার্কিং জোন থেকে এবার জিপসিতে চড়ার পালা। লম্বা লাইন থাকলেও, জিপসি শুনলাম হাতে গোনা। তাই নম্বর অনুযায়ী প্রথম ট্রিপে অনুমতি মিলল না। অগত্যা দ্বিতীয় ট্রিপের জন্য অপেক্ষা। যদিও জানি জঙ্গলের প্রথম ও বিকেলের শেষ ট্রিপের গুরুত্ব যথেষ্ট। মনমরা হয়ে বসে না থেকে মিষ্টি সকালে মাদারিহাট বনবাংলোর আশপাশ ঘুরে দেখলাম। মন মতো ছবিও তুললাম কয়েকটা। দেখে নিলাম এখানকার মিউজিয়াম। ভেতরে দেখি গাউর, চিতাবাঘ, গণ্ডার, ধনেশ পাখি, হরিণের বড় বড় মডেল। আলো-আঁধারি, শব্দবেষ্টিত কৃত্রিম বন দেখে ভালই লাগল। শুনলাম, প্রতি সন্ধ্যায় এখানে লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শো অনুষ্ঠিত হয়।

শেষপর্যন্ত আমাদের জন্য নির্দিষ্ট হুডখোলা জিপে চড়ে বসলাম। সঙ্গে দেওয়া হল একজন ট্যুরিস্ট গাইড। গাড়ি কিছুক্ষণ এনএইচ ৩১ সি দিয়ে ছোটার পর জঙ্গলের রাস্তা ধরল। ভৌগোলিক দিক থেকে জলদাপাড়া পূর্ব হিমালয়ের পাদদেশে ভুটান সংলগ্ন ডুয়ার্স অঞ্চলের অন্তর্গত। জলদাপাড়ার সমগ্র বনাঞ্চলটাই ইর্স্টান ডুয়ার্স এলিফ্যান্ট রিজার্ভের অন্তর্গত। গাইডের কথা থেকে জানা গেল স্থানীয় জলদা উপজাতির নাম থেকে জলদাপাড়া নামের উৎপত্তি। গুজরাটের গির-এর খ্যাতি যেমন সিংহের জন্য, তেমনি ভারতীয় একশ্ঙ্গ গণ্ডারের স্থায়ী আবাস জলদাপাড়া অভয়ারণ্য। কাজিরাঙ্গার পরে জলদাপাড়া অভয়ারণ্যেই রয়েছে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ভারতীয় একশ্ঙ্গ গণ্ডার। ২০০৯ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী জলদাপাড়ায় গণ্ডারের সংখ্যা ১২৮ টি। ২০১২ সালে কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশ মন্ত্রক জলদাপা অভয়ারণ্যকে জাতীয় উদ্যানের স্বীকৃতি দিয়েছে।

মাদের গাড়ি এগিয়ে চলেছে। দু’পাশে জঙ্গল, আর মাঝে শুধুমাত্র জিপ-চলা পথ। ডানদিকে চোখে পড়ল ইলেকট্রিক তারের ফেন্সিং। যত এগিয়ে যেতে লাগলাম, তত জঙ্গলের নানা রূপ চোখের সামনে ফুটে উঠতে লাগল। কোথাও ঘন জঙ্গল, কোথাও হালকা জঙ্গল, আবার কোথাও বিস্তীর্ণ গ্রাসল্যান্ড, যা গণ্ডারদের প্রিয় বিচরণক্ষেত্র। জঙ্গল লাগোয়া, এখনও বহু গ্রাম আছে শুনলাম। যা এখনও পুনর্বাসন হয়নি। তাই জঙ্গলে প্রবেশের পরেও বেশ কিছু সাইকেল, মোটর-সাইকেল আরোহীর উপস্থিতি চোখে পড়ল।

থচারীও দেখলাম দু’একটা। জাতীয় বনাঞ্চল হয়েও, বন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের তাগিদে এখনও কেন ঠিকঠাক পুনর্বাসন হয়নি – পুনরায় প্রশ্নটা মনে জাগল। জিপসি চলছে। মানুষ সমান উঁচু লম্বা ঘাসে ভরতি চারপাশ। আগে- পিছেও গাড়ি সারি। তাই ধুলো ওড়া রাস্তা। জিপসির মাথায় দাঁড়িয়েও সবুজের বন্যার বাইরে কিছুই অবগত হচ্ছে না। তবে জঙ্গলটা দুর্দান্ত। সকালের সোনা রোদের পরশ লেগে চিকন সবুজের ভাললাগা অনুভূতি মনকে স্পর্শ করছে। একটা আরণ্যক গন্ধ ছড়িয়ে রয়েছে বনের দিগ-বিদিকে। কালারফুল প্রজাপতিদের উপস্থিততে মন চঞ্চল হয়ে উঠেছে। গণ্ডার না বাইসন কী একটা দেখা দিয়েছে বনে এক জায়গায় দেখি গাড়িতে গাড়িতে ছয়লাপ আমরাও কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলাম। কিন্তু ঘন জঙ্গল মাঝে এক হাত দূরের জিনিসই দ্ষ্টিগোচর নয়, তো দূরের প্রাণীর অস্তিত্ব আন্দাজ করা!

বার গাড়ি যে রাস্তা ধরল, তা বেশ চওড়া। ছোট- বড় সাদা নুড়ি-পাথরে ভরতি। সেই পথে ধুলো উড়িয়ে গাড়ি এখন হরিণডাঙা ওয়াচ টাওয়ারে। গাড়ি থেকে নেমে উঠে পড়লাম, ওয়াচ টাওয়ারের মাথায়। চারদিক শুধু সবুজ আর সবুজ। কী ভালো লাগছে এই সবুজের সান্নিধ্য! এ এমন একটা পয়েন্ট, যার বিভিন্ন দিকে চলে গেছে বেশ কয়েকটা রাস্তা। কিন্তু এসব রাস্তা দিয়ে পর্যটকদের আর এক পা-ও এগোনো যাবে না। কোর এরিয়া পড়ছে যে এরপর। তাই শুধু দু’চোখ ভরে চেয়ে থাকা। আমাদের ফেলে আসা রাস্তাটা-ও লাগছিল যেন শিল্পীর ক্যানভাস। অপেক্ষার ডিউরেশনটা বাড়ছে। মন বলছে, বন্য জন্তু-জানোয়ার না হোক, তাদের দু’এক পিস বাচ্চাও অন্তত দেখা করতে আসবে। কিন্তু অপেক্ষাই সার। এদিকে সময় গড়াতেই, উপচে পড়া ওয়াচ টাওয়ারের লোকজনে নির্জনতার বারোটা বাজাল। লোকজনের হুজ্জুতি এড়াতে আমরা গাড়িতে উঠে এগোলাম অন্য পথে।

লদাপাড়া জঙ্গলে মহীরূহ মেম্বারদের সংখ্যাও নেহাত কম নয়। আছে শাল, সেগুন, শিশু, খ্যের, বহেড়ার হাত ধরাধরি উপস্থিতি। তবে এখানকার জঙ্গলের বৈশিষ্ট্য ঘন গাছপালা নয়। বরং বলা যায়, বড় গাছের মাঝে মাঝে বেশ কিছু  অঞ্চল জুড়ে এক ধরনের লম্বা ঘাসের জঙ্গল । যা আমরা প্রবেশের পর থেকেই দেখে আসছি। ১৯৪১ সালে গড়ে ওঠা এই অভয়ারণ্যের আয়তন ২১৬ বর্গকিমি। একশ্ঙ্গ গণ্ডারের বাইরে অন্যান্য বন্যপ্রাণীর মধ্যে আছে হাতি, গাউর, চিতাবাঘ, ভালুক, হরিণ, বুনো শুয়োর প্রভৃতি। ২৪০ প্রজাতির পাখির মধ্যে ময়ূর, বেঙ্গল ফ্লোরিক্যান, ব্ল্যাক প্যারট্রিজ, ঈগল, আউল, শকুন উল্লেখযোগ্য। আর ১৬ প্রজাতির সরীসৃপের সন্ধান মেলে এখানে।

গিয়ে চলেছে গাড়ি। চারদিক একটা চাপা নিস্তব্ধতা। নীরবতা ভাঙছে পাখির ডাক আর হনুমানদের দৌড়াদৌড়ি। হঠাৎ রাস্তা লাগোয়া নালার পাশে দেখা মিলল একটা বুড়ো শুয়োরের। গাড়ির আওয়াজে সে ঘোঁত – ঘোঁত করে ঘাসের জঙ্গলে গা ঢাকা দিল। কিছুটা এগোতেই সামনে জিপসির লম্বা লাইন দেখে আমরাও দাঁড়িয়ে পড়লাম। দূর থেকে দেখা মিলল এক বাইসন ফ্যামিলির । দলবল সহ রাস্তা ক্রস করছে। বাইসনদের বিশাল দেহ। চওড়া কাঁধ। গায়ের রং ঘন বা কালচে বাদামি। দেহের তুলনায় পা-গুলো ছোট। এদের পায়ের বিশেষত্ব পায়ের খুব থেকে হাঁটু অবধি সাদা। দেখলে মনে হয় সাদা মোজা পরে আছে। এবার যে রাস্তায় চলছি, গাইডের মুখে শুনলাম তার নাম ফায়ার লাইন রোড। দাবানলের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য সমগ্র জঙ্গলকে কয়েকটি ফায়ার লাইনে ভাগ করা হয়। যে লাইন ধরে জঙ্গল পরিষ্কার করা হয়। অনেক সময় আগুন ধরানো হয়। তার কয়েকটি যাতায়াতের জন্য রাস্তা হিসেবে ব্যবহূত হয়। তাই কয়েকটি যাতায়াতের জন্য রাস্তা হিসেবে ব্যবহূত হয়। তাই এই রকম নামকরণ।

রও এক ওয়াচ টাওয়ারের কাছে পৌঁছালাম। প্যাঁচানো সিঁড়ি দিয়ে উঠতেই উচ্ছল সবুজের বন্যা। এদিকে বুনো ঘাসের জঙ্গল থাকলেও, লম্বা ঝাঁকড়া গাছ সেরকম নেই। ফলে চারদিক অনেকটাই ওপেন। চোখ জুড়ানো সবুজের মাঝে একটা গণ্ডারের দেখা পাওয়া গেল। কিন্তু তার অবস্থান এতটাই দূরে যে সঙ্গে বাইনোকুলার থাকলে তারিয়ে-তারিয়ে উপভোগ করা যেত। জুমে টানতেও পারলাম না ঠিক মতো। গণ্ডারের খাস তালুকে এসে অন্তত উপোসী থাকতে হল না। তবে একটা ট্রিপেই তো আর গণ্ডা-গণ্ডা গণ্ডার মিলবে না। ফেরার পথে একটা সম্বরের সঙ্গেও সাক্ষাৎ হল। গাছের আড়াল থেকে তার লাজুক চাউনি চমকপ্রদ। মন ভরে গেল পথপার্শ্বে এক ময়ূর দম্পতিকে পায়চারি করতে দেখে।

গাড়ি এবার পৌঁছালো হলং বাংলোর বাউন্ডারি চত্বরে। যে বাংলোয় থাকার সুপ্ত বাসনা ছিল দীর্ঘদিনের। ছবিতে দেখা ঘন জঙ্গল মাঝে কাঠের দ্বিতল বাংলোটি  চিনতে ভুল হল না। পর্যটকদের উৎসাহ দেখলাম, হলং নদীর ধারটিতে। এই জঙ্গলে হলং ছাড়াও তোর্সা, মাতঙ্গি, সিসামারা, চিরাখাওয়া, কালিঝোরার মতো ছোট – বড় অনেক নদী আছে। তবে নদী না বলে, হলং খাল বললেই বেশ মানানসই হয়। নদীর স্রোতধারার জল অবশ্য স্বচ্ছ। তলার নুড়ি – পাথরও পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে। ঘাটের পারে দাঁড়িয়ে ওপারের একটা ফাঁকা জমি দেখলাম। ওখানেই আছে সল্টলিক পয়েন্ট। একটা বার্কিং ডিয়ার অনেকক্ষণ ধরে সল্টলিক পয়েন্টে ঘুর ঘুর করছে। ওকে দেখতে ভিড় জমে গেল। চাপা ফিসফিসানি বাড়ছে। কামানের মতো ক্যামেরা নিয়ে কয়েকজন ওয়াইল্ড লাইফ ফোটোগ্রাফার ফটাফট ছবি তুলছে। সে বেচারি কান খাড়া করে কিছু শোনার পরই দে ছুট। আবার পরে হয়তো সুযোগ মতো নুন চাটতে আসবে। ট্যাঁ – ট্যাঁ করতে করতে একদল জংলি টিয়া মাথার ওপর দিয়ে উড়ে গেল। ঘাড় ঘোরাতেই দেখি ডালপালা ভাঙতে ভাঙতে ফিরছে ট্যুরিস্ট বোঝাই তিনটে হাতি। ওরা এলিফ্যান্ট রাইডে গিয়েছিল। ইচ্ছা ছিল, এদের মতোই হাতি সাফারির। কিন্তু শুনলাম হলং ও মাদারিহাট বাংলোয় থাকলেই এই সুযোগ মেলে।

বার হলং বাংলোর দিকে মুখ ফেরাই। সংলগ্ন চত্বরটা কেয়ারি করে সাজানো। বাংলো ঘিরে রয়েছে ফুলের বাগান। বোর্ডে জলদাপাড়া সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য। রয়েছে ম্যাপ আর বণ্যপ্রাণীর তালিকা। আর জঙ্গলের মধ্যে অবশ্যপালনীয় নিয়মাবলি। জলদাপাড়ায় জন্তু – জানোয়ার দেখার সেরা জায়গা এই হলং বাংলো। মন্ত্রীরাও জঙ্গলে এলে, এই বাংলোয় ওঠেন। থাকতে না – পারার আপশোস তাই রয়েই গেল। ফেরার পথে চোখ চলে গেল, রুশ প্রাণী বিশেষজ্ঞ ইউ বি দিমিত্রিয়েভের কয়েকটি লাইনে। ” আমি যখন প্রথম একটি অভয়ারণ্য গিয়েছিলাম, তখন প্রচণ্ড হতাশ হয়ে পড়ি। আমি যে প্রত্যেকটা ঝোপের আড়ালে একটি করে বণ্যপ্রাণী দেখব এমন আশা করিনি ঠিকই, কিন্তু কিছু শেয়াল বা খরগোশ অন্তত দেখতে পাবো এমন আশা ছিল। সারাদিন ঘুরে আমি পাশের লোকটিকে আমার হতাশার কথা বললাম। সে মুচকি হেসে বললে, আপনি কিছু দেখতে পেলেন না বট, তবে গাছের আড়াল থেকে , গর্তের ফাঁক দিয়ে অনেক অনেকগুলি চোখ আপনাকে দেখছে। অনেক বন্যপ্রাণী উদ্বেগের সঙ্গে অপেক্ষা করছে, কখন আপনি চলে যাবেন এবং তারাও একটু নিশ্চিন্তে চলাফেরা করবে, এ – ডালে ও – ডালে উড়ে বেড়াবে।” বন ও বন্যপ্রাণী সচেতনতার ক্ষেত্রে এই মূল্যবান মন্তব্য সকল পর্যটককেই নতুন করে ভাবতে শেখাবে।

কীভাবে যাবেনঃ

লদাপাড়ার প্রবেশদ্বার মাদারিহাট। নিকটবর্তী রেলস্টেশন হাসিমারা। কলকাতা থেকে সরাসরি হাসিমারা স্টেশন। স্টেশন থেকে মাদারিহাট ১২ কিমি। এই পথ ভাড়া গাড়ির ব্যবস্থা করতে হবে। অন্যথায় শিলিগুড়ি বাসস্ট্যান্ড থেকে ১৪০ কিমি দূরে মাদারিহাট যেতে বাস অথবা ভাড়া গাড়ির ব্যবস্থা করুন।

 

Trending

Most Popular


Would you like to receive notifications on latest updates? No Yes