jamdani

ঝুঁকি এড়াতে মাস্ক পরে ব্যায়াম কখনোই নয়

সারা বিশ্বে করোনার গ্রাস থেকে মুক্তির উপায় মেলেনি এখনও। ভ্যাকসিন এলেও তাতেই বা বাঁচোয়া কতটা স্বাস্থ্যবিদরাই জানেন। তবে গোটা পৃথিবীতেই সংক্রমণের হাত থেকে নিজেকে বাঁচানোর জন্য নানা সতর্কতামূলক পদক্ষেপ করছেন। মুখে মাস্ক পরে বেরোনো এখন রোজকার জীবনের অঙ্গ। কিন্তু সম্প্রতি এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে ফেস মাস্কেরই একটি বিপজ্জনক দিক। মাস্ক পরে জগিং করতে করতে আচমকাই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এক ব্যক্তি। সেইসময় প্রচণ্ড বুকে ব্যথা হচ্ছিল তাঁর। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে জানা যায়, মুখে মাস্ক থাকা অবস্থায় শারীরিক পরিশ্রমের ধকল নিতে পারেনি ওই ব্যক্তি।

১) সংক্রমণ আটকাতে মাস্ক যত কার্যকরই হোক না কেন, ব্যায়াম বা অন্য কোনও ফিটনেস এক্সারসাইজ করার সময় মাস্ক থেকে দূরে থাকতেই হবে। নিজেকে সুস্থ রাখার জন্যই জগিং বা ব্যায়ামের সময় কখনও মাস্ক পরবেন না।

২)  লকডাউনের কারণে বাইরে বেরনো বন্ধ। তাই নিজের বাড়িতেই ব্যায়াম করার সময় মাস্ক পরার এমনিতেই প্রয়োজন নেই। আর লকডাউন উঠে যাওয়ার পর যদি পার্কে যান এক্সারসাইজ করতে, তা হলে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন যেন আপনার থেকে বাকি ব্যক্তিদের দূরত্ব অন্তত ছ’ ফুট হয়। এই দূর‍ত্ব বজায় রেখে দৌড়োলে বা ব্যায়াম করলে সংক্রমণ ছড়ানোর ভয় নেই।

৩) ব্যায়ামের সময় মুখে মাস্ক পরলে ব্যায়াম করার মধ্যে ঝুঁকি তৈরি হয়।এমনকি ব্যায়াম, বা অন্য যে কোনও এক্সারসাইজ করার সময় আমরা ফুসফুসে বাতাস বেশি টানি, এর জন্য ফুসফুসকেও অনেক বেশি পরিশ্রম করতে হয়।আর মুখে মাস্ক থাকলে ফুসফুসে বাতাস ঢোকার পথে একটা বাধার সৃষ্টি হয়, যার ফলে আপনি একটুতেই ক্লান্ত হয়ে পড়েন এবং হাঁফিয়ে যান। এছাড়া একটানা অনেকক্ষণ মাস্ক পরে থাকলেও তা ঘামে ভিজে গিয়ে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়।

৪) যদি আউটডোর ব্যায়াম করতে চান অথচ মাস্ক ছাড়া স্বস্তিবোধ করছেন না? তখন আপনি মাস্ক পড়ুন।

৫) এছাড়া আপনার হাঁপানি বা হার্টের সমস্যা থাকলেও কিন্তু একেবারেই মাস্ক পরে ব্যায়াম করা চলবে না।

৬) যাঁরা সুস্থ, তাঁরাও মাস্ক পরে কোনওরকম ভারী এক্সারসাইজ করা থেকে দূরে থাকুন। জোর করে ব্যায়াম চালিয়ে যাবেন না,শরীর একটু ক্লান্ত লাগলেই এক্সারসাইজ থামিয়ে দিন।

Trending

Most Popular


Would you like to receive notifications on latest updates? No Yes