jamdani

করোনা মুক্ত হয়েছেন! কিন্তু ত্বকের অবস্থা খারাপ হয়ে গেছে, জেনে নিন কি করবেন

প্রাণবন্ত ও সুন্দর ত্বক সুস্বাস্থ্যের প্রতীক। নানা কারণে আমাদের ত্বক নির্জীব ও অসুস্থ হয়ে পড়ে। আবার শরীরে ভিটামিন, আমিষ ও খনিজের অভাবও ত্বকের সমস্যার জন্য দায়ী হতে পারে। অনেকে আবার করোনা মুক্ত হওয়ার পর ত্বকের সমস্যায় জর্জরিত হয়েছেন। তাই যাঁরা ত্বকের সমস্যায় ভুগছেন, তাঁরা অবশ্যই পুষ্টির দিকটা খেয়াল রাখবেন।

    • সুস্থ ত্বকের জন্য প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ গ্লাস জল পান করা প্রয়োজন। তার সঙ্গে নিয়মিত দুধ ও নানা ধরনের ফল খাওয়া উচিত। ডাবের জল, মধু ও খেজুর ত্বকের জন্য ভীষণ উপকারী।
    • যাঁদের ত্বক ড্রাই হয়ে গেছে তাঁরা প্রতিদিন তরমুজ, পেয়ারা, টমেটো, গাজর, আপেল, ইত্যাদি খান; যাতে জলীয় অংশ বেশি থাকে।
    • এ ছাড়া ভিটামিন এ ত্বকের সজীবতা রক্ষা করতে সাহায্য করে। এর জন্য হলুদ ও সবুজ রঙের শাকসবজি, দুধ, ডিমের কুসুম, গাজর ইত্যাদি খেতে হবে। ভিটামিন সি-এর অভাবে দ্রুত বলিরেখা পড়ে। ভিটামিন সি বেশি আছে লেবু, পেয়ারা, আমলকী, টমেটো, কমলা, কাঁচা মরিচ ইত্যাদিতে। ভোজ্যতেল, অঙ্কুরিত ছোলা, ডিম, বাদাম ইত্যাদিতে ভিটামিন ই রয়েছে, এগুলো খান।

    • প্রাচীনকাল থেকে হলুদ রূপচর্চায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বিশেষত ঘরোয়া ফেস প্যাক তৈরিতে। প্রদাহ ও ব্যাক্টেরিয়া রোধী উপাদান সমৃদ্ধ হলুদ ত্বকের নানাবিধ সমস্যা ও ‘ব্রেক আউট’ দূর করতে সাহায্য করে। হলুদ অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ যা বয়সের ছাপ ধীর করে এবং ত্বকের প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা বাড়ায়। খালি পেটে হলুদ-জলের মিশ্রণ পান করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।
    • বিট ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে। রক্ত পরিশোধনে খুব ভালো কাজ করে এবং একারণেই ত্বক দেখতে উজ্জ্বল লাগে। এতে আছে ভিটামিন এ এবং সি, যা ত্বকে প্রাকৃতিক পুষ্টি যোগায়। দাগ, ছোপ দূর করে ত্বকের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে। উপকার পেতে প্রতিদিন বিটের তৈরি জুস বা সিদ্ধ বিট খেতে পারেন।
    • টমেটোতে আছে লাইকোপেন নামক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যা কোষের ক্ষয় কমায়, ত্বক টান টান ও তারুণ্যময় রাখতে সহায়তা করে। এতে আছে প্রাকৃতিক সানস্ক্রিনের গুণ। যা ত্বক ভালো রাখতে সাহায্য করে।

  • আখরোট‘মস্তিষ্কের খাবার’ হিসেবে পরিচিত যা ত্বকের জন্য খুব ভালো কাজ করে। এটা ওমেগা-থ্রি ফ্যাটের ভালো উৎস যা, বিষাক্ত পদার্থের কারণে হওয়া কোষের ক্ষয় থেকে রক্ষা পেতে সাহায্য করে। খাবারে বাদাম যোগ করা হলে তা ত্বক সুন্দর রাখে এবং আর্দ্রতা ধরে রাখে।
  • সূর্যমুখির বীজ ভিটামিন ই সমৃদ্ধ, এটা ‘ফ্রি রেডিক্যাল’য়ের কারণে হওয়া কোষের ক্ষয় কমায়। তাই এটা খুব ভালো ‘অ্যান্টি এজিং’ হিসেবে কাজ করে। এটা খুব ভালো প্রদাহরোধী উপাদান সমৃদ্ধ যা সংক্রমণের কারণে হওয়া ত্বকের ক্ষতি ও অস্বস্তি কমাতে সহায়তা করে।
  • মিষ্টি আলুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বক প্রাকৃতিকভাবেই উজ্জ্বল করে। এর অ্যান্থোসায়ানিন নামক উপাদানের জন্য লালচে–বেগুনি হয়ে থাকে। এটা ত্বকের দাগ ছোপ কমায়। মিষ্টি আলুর ভিটামিন সি ত্বকের কোষকলা উৎপাদন করে। ফলে ত্বক হয় টানটান ও ত্বকের গঠন সুন্দর হয়।
  • শিয়া বীজখাবারের স্বাদ বাড়াতে ব্যবহার করা হয়, এটি ত্বকের পুষ্টি যোগাতে সহায়তা করে। চিয়া ওমেগা-থ্রি ফ্যাট, ভিটামিন এ এবং সি সমৃদ্ধ। এগুলো ত্বকে বলিরেখা পড়া ধীর করে, সংক্রমণ কমায় এবং স্বাস্থ্যকর উজ্জ্বলতা দেয়।

Trending


Would you like to receive notifications on latest updates? No Yes